অ্যাকাউন্ট খুলুন, লবিতে ঢুকুন
একটা মোবাইল নম্বর আর OTP — এতেই আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি, আর সাথে সাথেই Live Dragon Tiger, Aviator থেকে ক্রিকেট মার্কেট পর্যন্ত পুরো লবি খোলা। প্রবেশাধিকার ও যোগ্যতা আপনার নিজের অঞ্চলের স্থানীয় আইনের উপর নির্ভর করে, সেটা আইনি ও শর্তাবলি পাতায় লেখা আছে।
লগইনে আটকে গেলে যোগাযোগ
OTP আসছে না? নাম যাচাইয়ে আটকে আছে? সরাসরি লিখুন। লবির নিচের দিকে চ্যাট বোতামটা সব পাতায় থাকে, আর ওখান থেকেই অ্যাকাউন্ট নিয়ে কথা বলা যায়। লেখার সময় আপনার রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরটা দিন — নম্বর হাতে থাকলে আমরা অ্যাকাউন্ট খুঁজে বের করে সমস্যাটা দেখতে পারি।
অ্যাকাউন্ট খোলার সময় নিরাপত্তা যেভাবে রাখি
রেজিস্ট্রেশনের ফর্মে যা লেখেন, সেটা SSL এনক্রিপশনের ভেতর দিয়ে যায়। নামটা যেন আপনার bKash বা Nagad অ্যাকাউন্টের নামের সঙ্গে মেলে — উত্তোলনের সময় এই মিলটাই যাচাই হয়। ফোন নম্বরে OTP আসে, সেটাই আপনার প্রবেশের চাবি। পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না, আমরাও কখনও চাইব না। প্রবেশাধিকার ও বয়সের শর্ত আপনার অঞ্চলের স্থানীয় আইনের উপর নির্ভর করে।
নাম, নম্বর আর পাসওয়ার্ড — সবটাই SSL দিয়ে ঢাকা অবস্থায় সার্ভারে পৌঁছায়। ব্রাউজারের তালার চিহ্ন দেখে নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন।
নতুন অ্যাকাউন্ট চালু হয় ফোনে আসা কোড বসানোর পর। একই নম্বর পরে লগইন আর উত্তোলনের অনুরোধেও কাজে লাগে।
অ্যাকাউন্টের নাম আর আপনার Rocket বা bKash ওয়ালেটের নাম এক হতে হবে। না মিললে টাকা তোলার ধাপে আটকে যায়।
জমা-উত্তোলন আর সহায়তার কাজ ছাড়া আপনার তথ্য অন্য কোথাও যায় না। প্রকাশিত সহায়তা মাধ্যমে লিখে যেকোনো সময় জেনে নিন।
ফর্ম পূরণের সময় যা যা লাগবে
ফর্মটা ছোট। আপনার নাম, চালু মোবাইল নম্বর আর নিজের পছন্দের পাসওয়ার্ড — এই তিনটা দিলেই প্রথম ধাপ শেষ। এরপর নম্বরে একটা OTP কোড আসে, সেটা বসালেই অ্যাকাউন্ট চালু। নম্বরটা যেন আপনার bKash বা Nagad ওয়ালেটের নম্বরের সাথে মেলে, তাহলে পরে জমা-উত্তোলনে নাম মিলিয়ে দেখার ঝামেলা কমে। জন্মতারিখ আর নামের বানান আপনার এনআইডির সাথে মিলিয়ে লিখুন।
কারণ পরে উত্তোলনের সময় আমরা পরিচয় যাচাই করি, আর তখন তথ্য না মিললে টাকা আটকে থাকে। পুরনো অ্যাকাউন্ট থাকলে নতুন করে খোলার দরকার নেই — লগইনে গিয়ে নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিন, পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে OTP দিয়ে নতুন করে বসানো যায়। একই লগইন মোবাইল ব্রাউজার আর ডেস্কটপে কাজ করে।
-
এক নম্বর, এক অ্যাকাউন্ট প্রতি মোবাইল নম্বরে একটাই অ্যাকাউন্ট থাকে। এতে ওয়ালেট সংযোগ পরিষ্কার থাকে আর সহায়তায় লিখলে আমরা দ্রুত আপনার অ্যাকাউন্ট খুঁজে পাই।
-
নাম মিলিয়ে লিখুন রেজিস্ট্রেশনের নাম আর ওয়ালেটের নাম এক হলে উত্তোলনের যাচাই সহজ হয়। আলাদা হলে আমরা বাড়তি কাগজ চাইতে পারি।
-
লগইনে OTP ঢাল নতুন কোনো ফোন থেকে ঢুকলে নম্বরে কোড যায়। পাসওয়ার্ড কেউ জেনে ফেললেও ওই কোড ছাড়া অ্যাকাউন্টে ঢোকা যাবে না।
-
খোলার পরেই লবি অ্যাকাউন্ট চালু হলে স্লট, লাইভ টেবিল আর স্পোর্টসবুক একই মেনুতে — Live Cash or Crash B দেখতে আলাদা করে কিছু নামাতে হয় না।
একাউন্ট
ফর্মটা ছোট। আপনার নাম, চালু মোবাইল নম্বর আর নিজের পছন্দের পাসওয়ার্ড — এই তিনটা দিলেই প্রথম ধাপ শেষ। এরপর নম্বরে একটা OTP কোড আসে, সেটা বসালেই অ্যাকাউন্ট চালু। নম্বরটা যেন আপনার bKash বা Nagad ওয়ালেটের নম্বরের সাথে মেলে, তাহলে পরে জমা-উত্তোলনে নাম মিলিয়ে দেখার ঝামেলা কমে। জন্মতারিখ আর নামের বানান আপনার এনআইডির সাথে মিলিয়ে লিখুন। কারণ পরে উত্তোলনের সময় আমরা পরিচয় যাচাই করি, আর তখন তথ্য না মিললে টাকা আটকে থাকে। পুরনো অ্যাকাউন্ট থাকলে নতুন করে খোলার দরকার নেই — লগইনে গিয়ে নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিন, পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে OTP দিয়ে নতুন করে বসানো যায়। একই লগইন মোবাইল ব্রাউজার আর ডেস্কটপে কাজ করে।
লবি ঘুরে দেখুনআপনার তথ্য এনক্রিপ্টেড, নিরাপদ প্রবেশাধিকার সুরক্ষিত।
ওয়ালেট জুড়ুন, প্রথম জমা দিন
অ্যাকাউন্ট খোলার পরের কাজটা সোজা — ক্যাশিয়ারে গিয়ে ওয়ালেট বেছে নিন। পর্দায় যে নম্বরটা দেখাবে, সেখানেই আপনার bKash, Nagad বা Rocket অ্যাপ থেকে Send Money করবেন। এরপর ট্রানজেকশন আইডি ফর্মে বসিয়ে দিন। ঢাকায় বসে হোক বা চট্টগ্রামে, ধাপগুলো একই থাকে। রেজিস্ট্রেশনের নম্বর থেকেই টাকা পাঠালে মিলিয়ে দেখা সবচেয়ে ঝামেলাহীন।
bKash
অ্যাপ খুলে Send Money, ক্যাশিয়ারে দেখানো নম্বর, তারপর PIN দিয়ে নিশ্চিত করুন। শেষে ট্রানজেকশন আইডিটা জমার ফর্মে বসাতে ভুলবেন না।
Nagad
Nagad অ্যাপ বা *167# — দুটোতেই চলবে। রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া নম্বর থেকে পাঠালে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে মেলানো সহজ হয়।
Rocket
Rocket ব্যবহার করলে নম্বরের শেষে চেক ডিজিট আছে কি না দেখে নিন। ভুল নম্বরে গেলে টাকা ফেরাতে সময় লাগে, তাই একবার মিলিয়ে নিন।
রেজিস্ট্রেশন নিয়ে যা জিজ্ঞেস করেন
অ্যাকাউন্ট খোলার আগে যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে, সেগুলোর সোজা উত্তর নিচে দিলাম। ফর্মে কী লাগবে, OTP না এলে কী করবেন, একই নম্বরে দুটো অ্যাকাউন্ট হয় কি না — সব এখানে। ঢাকা থেকে ফোনে খুললেও ধাপগুলো একই থাকে। আরও কিছু জানার থাকলে প্রকাশিত সহায়তা মাধ্যমে লিখুন।
রেজিস্ট্রেশন
সার্ভিসের প্রাপ্যতা আইনি অঞ্চল অনুসারে নির্ভরশীল। ব্যবহারকারী নিজেই স্থানীয় আইন যাচাই করবেন।
শুধুমাত্র যেখানে স্থানীয় আইন অনুমতি দেয় সেখানে প্রবেশাধিকার সম্ভব।